ভালোবাসা ফোড়ন সিজন ২,, পর্ব ৩০
September 29, 2024
0
"তোমার শশুড় বাড়ি বুঝি। "নাহ! "তাহলে কি লিভ ইন এ থাকো। বিয়ের আগে দু'জনে একসাথে! উনার কথায় আমি চুপসে গেলাম। কি বলছেন উনি এসব। লিভ ইন তাও আমি। কিন্তু উনার এই ভাবনার জন্য দায়ী তো আমি নিজে। তাই বলে এমন ভাবনা। কিন্তু আজকালকার দিনের জন্য এটা খুব স্বাভাবিক। বেশিরভাগ মানুষই এখন এভাবে থাকে বলে আমি শুনেছি ইতি'র কাছ থেকে। কিন্তু এর প্রভাব বিদেশে বেশি, বাংলাদেশে এসব প্রথার বিদ্যমান নেই। তাহলে উনি একথা কেন বললেন। আমাকে উনি এমনটাই কি ভাবেন! আমি আর কোন কথাই বললাম না, চুপ থাকলাম। উনিও চুপ হয়ে হেঁটে যাচ্ছে। বাসার সামনে অবদি এগিয়ে গেলেন আমায়। আমি উনাকে আবারো ধন্যবাদ দিলাম। জানি উনি আসবেন না তবুও বললাম ঘরে আসতে, একটু বসে চা খাওয়ার জন্য। বরাবরের মতো আমার ভাবনাই ঠিক হলো। উনি না বললেন আর বলে গেলেন,"কখনো একা বের হয়ো না বুঝলে। সাথে কাউকে নিয়ে বের হবে। বলেই উনি চলে গেলেন। আমি দাঁড়িয়ে উনার চলে যাওয়া দেখতে লাগলাম। উনি ফোন টা হাতে নিয়ে হাঁটতে হাঁটতে অন্ধকারে মিলিয়ে গেলেন। আর কোন ছিটেফোঁটা দেখা যাচ্ছে না উনার! মনে হচ্ছে অদৃশ্য কেউ একজন এলো আর চলে গেল। আমাকে বুঝি এই বিপদের হাত থেকে বাঁচানোর জন্য'ই তার আসা।"না এখনো আছে, তোমার কপাল তো গরম। "এরকম সবার'ই থাকে। "আমার ও থাকবে বুঝি! "হুম। এখন পড়তে বসো! অতঃপর অর্ণ পড়তে বসল। বলা বাহুল্য খুব ভালোই পড়ল সে। তাহলে তার মা কেন বলে সে পড়ে না। নাকি আজ প্রথম দিন বলে আমার কাছে খুব ভালো পড়েছে। আস্তে আস্তে হয়তো আর পড়বে না হতেও পারে। অর্ণ কে পড়িয়ে বাইরে এসে দেখি পুরো রাস্তা ফাঁকা। দু একজন মানুষজন আছে, আর আছে কিছু ল্যাম্পপোস্ট। সেগুলোতে নিভি নিভি আলো জ্বলছে। আমি ব্যাগ টা শক্ত করে ধরে হেটে চলছি। সব কিছু বেশ শান্ত, বেশ নিরব। একটা মেইন রোড পেরিয়ে সরু গলি, সেটা পেরিয়ে আরেকটা মেইন'র এ এসে পৌঁছানোর পর আরেকটা সরু গলি। অতঃপর সেটা দিয়ে কিছুক্ষণ হাঁটার পর একটা মসজিদ। মসজিদ থেকে আরো ৫ মিনিট হাঁটার পর বাসায় এলাম। বাসায় এসেই বিছানায় গা এলিয়ে দিলাম। কিছু করতে মন চাইছে না এখন আর। কখন যে ঘুমিয়ে গেছি জানি না।রাত ১২ টায় মিতু আপু জাগালো আমায়। জোর করে কিছু খাইয়ে দিল আমায়। অতঃপর ঔষধ খাইয়ে দিয়ে বলল, "ঘুমিয়ে পড়! কিন্তু আমার আর সেই রাতে ঘুম এলো না। কি মনে করে যেন ছাদে চলে এলাম। এতো রাতে ছাদে আসে টা হয়তো ঠিক না কিন্তু আমি এলাম। কেন জানি মন চাইলো আসতে। ছাদের গা ঘেঁষে একটা গাছ আছে। অন্ধকারে দূর থেকে দেখলে বেশ ভয়ংকর লাগে। মনে হয় যেন কোন দৈত্য দানব আমার দিকে ঝুঁকে আছে!বেশ কয়কদিন হলো নিতি ওরা এখন আর আমাকে কিছু বলছে না। যাক বাবা বেঁচে গেছি। কিছু না বলাটাই স্বাভাবিক কারন আমি এখন আর তাদের কারো সাথে কথা বলি না। বিশেষ নজর রাখি যেখানে তারা আছে সেখানে আমার ছায়া যাতে না পরে। মিতু আপু আর মুন্নি আপুর মাঝে ইদানিং বেশ দ্বন্দ্ব চলছে বলে আমার ধারণা। কয়েকদিন ধরেই মিতু আপু বাসায় আগে চলে আসেন। অতঃপর মুন্নি আপু। তাও অনেক দেরি করে আর প্রত্যেকবার এক কথা বাইরে থেকে খেয়ে এসেছি। বেশ বোঝা যাচ্ছে কিছু একটা হয়েছে। কিন্তু বিষয় টা কি হতে পারে কোন ছেলে। জিজ্ঞেস করেছিলাম আপু কে। সে বলল, "মুন্নি আপু নাকি কোন বাজে ছেলের খপ্পরে পড়েছে। ছেলেটা কে মিতু আপুর কাছে মোটেও সুবিধার মনে হচ্ছে না। কিন্তু মুন্নি আপু সেটা মানতে নারাজ। এই নিয়েই দুই বোনের মাঝে বিরোধিতা। রিনু'র আম্মু বেতন দিয়েছে আজ। বাসায় গিয়ে পরিক্ষার টাকা আলাদা করে রাখতে হবে।বেশ কয়কদিন হলো নিতি ওরা এখন আর আমাকে কিছু বলছে না। যাক বাবা বেঁচে গেছি। কিছু না বলাটাই স্বাভাবিক কারন আমি এখন আর তাদের কারো সাথে কথা বলি না। বিশেষ নজর রাখি যেখানে তারা আছে সেখানে আমার ছায়া যাতে না পরে। মিতু আপু আর মুন্নি আপুর মাঝে ইদানিং বেশ দ্বন্দ্ব চলছে বলে আমার ধারণা। কয়েকদিন ধরেই মিতু আপু বাসায় আগে চলে আসেন। অতঃপর মুন্নি আপু। তাও অনেক দেরি করে আর প্রত্যেকবার এক কথা বাইরে থেকে খেয়ে এসেছি। বেশ বোঝা যাচ্ছে কিছু একটা হয়েছে। কিন্তু বিষয় টা কি হতে পারে কোন ছেলে। জিজ্ঞেস করেছিলাম আপু কে। সে বলল, "মুন্নি আপু নাকি কোন বাজে ছেলের খপ্পরে পড়েছে। ছেলেটা কে মিতু আপুর কাছে মোটেও সুবিধার মনে হচ্ছে না। কিন্তু মুন্নি আপু সেটা মানতে নারাজ। এই নিয়েই দুই বোনের মাঝে বিরোধিতা। রিনু'র আম্মু বেতন দিয়েছে আজ। বাসায় গিয়ে পরিক্ষার টাকা আলাদা করে রাখতে হবে।
Tags

